আমাদের আহবান

আসসালামু‘আলাইকুমওয়ারহমাতুল্লাহিওয়াবারাকাতুহ,
সকল প্রশংসা আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের। আমরা আমাদের নফসের খারাপ দিক থেকে তাঁর সাহায্য প্রার্থণা করি এবং আমাদের খারাপ 
আমল থেকে আশ্রয় চাই। আল্লাহ্ যাকে হেদায়াত দান করেন কেউ তাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে না। আর আল্লাহ্ যাকে বিভ্রান্ত করেন কেউ 
তাকে হেদায়াত করতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ তা‘আলা ব্যতীত কোন সত্য মা‘বুদ নেই; তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তাঁর 
কোন শরীক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।

আমরা  নিজেদেরকে মুসলিম (এক আল্লাহর কাছে আত্বসমর্পনকারী বান্দা) হিসেবে পরিচয় দেয়া যথেষ্ট মনে করি।  আমরা ঈমানের দাবীতে বন্ধুত্বও শত্রুতা স্থাপন করি।  কুরআন এবং সহীহ হাদীস আমাদের সংবিধান। তাওহীদ আমাদের আক্বিদা এবং জিহাদ আমাদের  মানহাজ। শাহাদাত আমাদের কামনা ।  আল্লাহর সন্তুষ্টি আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য । জান্নাত আমাদের পরম বাসনা। তাওহীদ এবং জিহাদের দাওয়াতের জন্য  সাইটটি সকলের সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।

! আহ্বান !

বিশ্ব মুজাহিদীনদের পক্ষ থেকে এই সাইট কতৃক মুসলিমদের প্রতি আহ্বান,
আমরা চাই মানুষকে মানুষের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে আল্লাহর প্রকৃত বান্দায় পরিণত করতে এবং রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর পদ্ধতিতে দাওয়া,
 হিজরতও জিহাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্ব কে তাগুত মুক্ত করে এক আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে অর্থাৎ আল্লাহর দ্বীনকে 
বিজয়ী করতে ।
আমরা আহ্বান করছি যে, যারা আল্লাহর দ্বীনকে ভালোবাসে এবং যারা দাবী করে যে তারা মুসলিম, তারা আল্লাহর দ্বীনের জন্য চিন্তা করুক 
এবং আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য ছুটে আসুক ।

ইসলামী আইন বাস্তবায়নের আহ্বান !

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ তা’আলার জন্য । মুহাম্মদ (সঃ) এর উপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক। অতঃপর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ 
ছাড়া কোন সত্য মা’বুদ নাই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সঃ) তাঁর বান্দা ও রাসুল। কুরআনে কারীমে ইরশাদ হচ্ছে 
“আল্লাহ ছাড়া কারো বিধান দেয়ার অধিকার নাই” (সুরা ইউসুফ – ৪০)। “শুনে রাখ ! তাঁরই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশ দান করা”
(সুরা আরাফ- ৫৪) “আল্লাহর আইনকে বাস্তবায়ন করার জন্য আমার উম্মতের মধ্যে একটি ঈছাবা (দল) সব সময় সশস্ত্র জিহাদ করে 
যাবে। তারা তাদের শত্রুদের প্রতি কঠোর হবে , যারা তাদের বিরোধিতা করবে তারা তাদের ক্ষতি করতে পারবে না। তারা কিয়ামত পর্যন্ত 
এ কাজ চালিয়ে যাবে” (সহীহ মুসলিম ৪৮০৪/৫ইঃফাঃ)।

জনগণের প্রতি আহ্বান !

প্রিয় দেশবাসী মুসলিম ভাই ও বোনেরা, আসসালামুআলাইকুম। আল্লাহ আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি রুপে এবং শুধুই 
তাঁর ইবাদাতের জন্য যাতে থাকবে না কোন অংশীদার। আমাদের মাঝে শেষ নবী মুহাম্মদ (সঃ) কে প্রেরণ করেছেন এই শিক্ষা দেয়ার জন্য
যে আমরা কিভাবে আমাদের বিশ্বাস ও কাজে কর্মে তাগুতকে বর্জন করতে পারি। আল্লাহ তা’আলা বলেন , “প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই আমি 
রাসুল পাঠিয়েছি এ দায়িত্ব দিয়ে যে, তোমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদাত কর এবং সকল প্রকার তাগুতকে বর্জন করো”(সুরা নাহলঃ ৩৬)।
তাগুতঃ মানুষ আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে ইলাহ বা উপাস্যর আসনে বসিয়ে তার ইবাদাত বা আনুগত্য করে এবং কোন ব্যাপারে তাকে
 আল্লাহর সাথে শরীক করে তবে সেই অংশীদার ইলাহকে বলা হয় “তাগুত”।   ক্ষমতাসীন তাগুতঃ আল্লাহর বিধান পরিবর্তনকারী জালিম 
শাসক , অর্থাৎ যে শাসক আইনের বলে হারাম কে হালাল করে। যেমনঃ-যিনা , সুদ , মদ্যপান বা অশ্লীলতার অনুমোদন দেয় , কিংবা
 হালালকে হারাম করে। যেমনঃ- সত্য দ্বীন প্রতিষ্ঠায় বাধা দেয়। অনুরুপভাবে যে ব্যাক্তি আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে নিজেদের তৈরিকৃত অথবা 
কাফের-মুশরিকদের বিধান অনুযায়ী শাসন করে সে হলো “ক্ষমতাসীন তাগুত”।
কোন মুসলিম ভূখন্ডে আল্লাহর বিধান ছাড়া অন্য কারো বিধান চলতে পারে না। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় , শতকরা নব্বই ভাগ মুসলিম 
বাস করা সত্ত্বেও আমাদের দেশে আল্লাহর বিধান কার্যকর নেই। উপরন্তু দেশের জেলা থেকে রাজধানী পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে নিম্ন ও উচ্চ আদালত 
গঠন করে যে বিচারকার্য পরিচালনা করা হচ্ছে তার মূল ভিত্তি হচ্ছে মানুষ্য রচিত সংবিধান। যে সংবিধান প্রণয়ন করেছে কিছু জ্ঞানপাপী মানুষ।
 কথা ছিল মানুষ হিসেবে একজন মানুষের কাজ হবে আল্লাহর দাসত্ব করা ও আল্লাহর বিধানের আনুগত্য করা। কিন্তু সে মানুষ আজ নিজেই 
সংবিধান রচনা করে আল্লাহর বিধানের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।
এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসে আছে আল্লাহ বিরোধী শক্তি। কারণ যে প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্র প্রধান কিংবা রাষ্ট্রের অন্যান্য পরিচালকবর্গ নির্বাচিত হচ্ছেন 
তা একটি সম্পুর্ণ অনৈসলামিক পদ্ধতি। পবিত্র কুরআন ও হাদীসে কোথাও প্রচলিত কাফির মুশরিক বিরচিত গণতন্ত্র , সমাজতন্ত্র,রাজতন্ত্র ইত্যাদী
 পদ্ধতির স্বীকৃতি পাওয়া যায় না । এসব প্রত্যেকটি পদ্ধতিই হচ্ছে আল্লাহর বিধানের প্রতিপক্ষ এক একটি ব্যবস্থা। কাফির – মুশরিক ও ইহুদী
 মস্তিস্ক প্রসূত এসব বিধান প্রণয়ন করা হয়েছে শুধুমাত্র মুসলিম আক্বীদা ও বিশ্বাসকে ধ্বংস করার মানসে। কাজেই এদেশের মুসলিম জনতার
 আজ ভাবার সময় এসেছে।
তাই আল্লাহর কতিপয় বান্দারা আল্লাহর হুকুম ও ঈমানের দাবীকে সামনে রেখে এই প্রচলিত বিচার ব্যাবস্থাকে অস্বীকার করে। পাশাপাশি যে 
সংবিধানকে ভিত্তি করে দেশ পরিচালিত হচ্ছে , তা আল্লাহর বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বিধায় এ ব্যবস্থা ও তথাকথিত নির্বাচন পদ্ধতি পরিহার 
করে আল্লাহর হুকুম ও রাসুল (সঃ) এর পদ্ধতিতে দেশ পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে। অন্যথায় কতিপয় বান্দারা 
আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীন কায়েমের জন্য আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। অত’এব , যতদিন পর্যন্ত দেশে ইসলামী আইন 
বাস্তবায়ন না হয় , ততদিন পর্যন্ত তাগুতের বিচারালয়ে যাওয়া বন্ধ রাখুন। আপনাদের যেকোন বিচার ফয়সালার জন্য মসজিদের খতিব, 
মাদরাসার মুহাদ্দেস ও অভিজ্ঞ আলেমে দ্বীনের কাছে গিয়ে আল্লাহর আইনের ফয়সালা প্রার্থনা করুন। তাগুত সরকারের আইন উপেক্ষা করে 
আল্লাহর আইনের বিচার ফয়সালা নিন।
আল্লাহ বলেন, “তারা কি জাহেলী বিধানের ফয়সালা কামনা করে? আল্লাহ্ অপেক্ষা ঈমানদারদের জন্য উত্তম ফয়সালাকারী কে?” 
(সুরা মায়েদাঃ- ৫০)। “তবে কি আমি আল্লাহ ব্যতিত অন্য কোন বিচারক অনুসন্ধান করবো ?” (সুরা আন’আমঃ- ১১৪)।
 “আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা দাবী করে যে আমরা ঈমান এনেছি , যা আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং আপনার পূর্বে যা 
অবতীর্ণ হয়েছিল। তারা তাগুতকে বিধান দানকারী বানাতে চায় , অথচ তাদের প্রতি নির্দেশ হয়েছে, তারা যেন তাকে অমান্য করে। ” 
(সুরা নিসাঃ-৬০)

বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান !

যারা হেদায়েতের অনুসারী তাদের প্রতি সালাম। হেদায়াত প্রাপ্তির পর গোমরাহী ও অন্ধকারের দিকে ফিরে আসা উচিত নয়। আল্লাহ তাঁর রাসুল
 (সঃ) কে সত্য দ্বীন সহকারে প্রেরণ করেছেন , সুসংবাদ বহনকারী ও সতর্ককারী হিসাবে। যারা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছেন, আল্লাহ্ তাদের 
সঠিক ভাবে হেদায়েত দিয়েছেন। আর যারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছে, রাসুলুল্লাহ (সঃ) তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছেন। অতঃপর তারা ইচ্ছায় হোক 
বা অনিচ্ছায় হোক , ইসলামের আনুগত্য করেছে। অতএব বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান ! আপনারা এদেশে আল্লাহর আইন চালু করুন।
 আমরা আপনাদের সহযোগিতা করবো। আমরা ক্ষমতা চাই না, আমরা দেশে তাগুতী শাসনের পরিবর্তে আল্লাহর আইন চাই।
আল্লাহর কতিপয় বান্দারা আল্লাহর সৈনিক। আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করার জন্য এরা নবী-রাসুল, সাহাবী ও যুগেযুগে বীর মুজাহিদগণের 
পদ্ধতি গ্রহণ করেছে । আল্লাহর কতিপয় বান্দারা এদেশ থেকে সমস্ত র্শিক-বিদ’আতের অবসান ঘটিয়ে খালেছ তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করে আল্লাহর 
সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায় এবং এর মাধ্যমে জনগনকে দুনিয়া ও আখিরাতে সুখী দেখতে চায়।
এই সত্য আহবানের পর সরকার যদি এদেশে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা না করে , বরং আল্লাহর আইন চাওয়ার অপরাধে কোন মুসলিমকে 
গ্রেফতার করে, অথবা আলেম ওলামাগণের উপর নির্যাতন চালায় তাহলে আল্লাহর কতিপয় বান্দারা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পাল্টা এ্যাকশন নিবে
 ইনশাআল্লাহ।

জাতীয় সংসদের সরকারী ও বিরোধীদলের প্রতি আহ্বান !

কাফের রচিত গণতান্ত্রিক এই পদ্ধতিটি সরকারী ও বিরোধী দল নামে দুটি পক্ষ সৃষ্টি করে জাতিকে দলে দলে বিভক্ত করে দেয়। ক্ষমতায়
 যাওয়ার জন্য হরতাল , অবরোধ করে জনগণের ক্ষতি সাধন করার অধিকার দেয়। কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠির অপরাধের জন্য জনগণকে 
অবরুদ্ধ করে রাখা , সারা দেশ অচল করে দেয়াও গণতান্ত্রিক দেশে সংবিধান সম্মত। এদেশে যারা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে চায় 
তারা ইসলামের শত্রু। অত’এব আল্লাহর হেদায়াত পেতে চাইলে দলাদলি বাদ দিয়ে সরকারী ও বিরোধীদল মিলে অবিলম্বে দেশে ইসলামী 
আইন চালু করুন। তাগুতী সংবিধান পরিত্যাগ করে ইসলামী আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ থেকে সমুদয় র্শিক-বিদ’আত , অশ্লীলতা দূর 
করে জনগণকে সঠিকভাবে ইসলাম পালন করতে দিন। আর আপনারা যদি বুশ-ব্লেয়ার-মনমোহন চক্রের ভয়ে দেশে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা 
করার সাহস না পান , তাহলে গণতন্ত্রের তাগুতী রাজনীতি ছেড়ে দিন। আলেম-ওলামা, মাশায়েখ ও ইসলামী চিন্তাবিদগণের সমন্বয়ে শুরাই 
পদ্ধতিতে তৌহিদী জনতা এদেশে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা করবে ইনশা-আল্লাহ্।

সরকারী আমলা ও বিচারকগণের প্রতি আহ্বান !

সরকার দেশে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা না করলে আপনারা প্রশাসনিক কাজকর্ম ও তাগুতী আইনে বিচারকার্য পরিচালনা বন্ধ করুন। আল্লাহর 
আইন প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক সহযোগীতা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে জীবন ধন্য করুন। সেই সাথে আর্মি , বিডিআর , পুলিশ ও র‌্যাবসহ সকল
 সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণের প্রতি আহ্বান ! আপনারা তাগুতী আইন হেফাযতের পরিবর্তে আল্লাহর আইন হেফাযতে সচেষ্ট হোন। তাগুতের
 আদেশ মানবেন না , আল্লাহর আদেশ মানুন। তাগুতের নির্দেশে আল্লাহর সৈনিকদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবেন না। তাগুতের গোলামী ছেড়ে 
আল্লাহর গোলামী করুন। তাগুতের সৈনিক হওয়ার পরিবর্তে আল্লাহর সৈনিক হয়ে যান। আর যারা তাগুতের গোলামী না ছাড়বে , আল্লাহর
 বিধান অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে ইনশা-আল্লাহ। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন- “যারা ঈমানদার তারা লড়াই (সশস্ত্র জিহাদ) করে
 আল্লাহর রাহে, পক্ষান্তরে যারা কাফের তারা লড়াই করে তাগুতের পক্ষে সুতরাং তোমরা লড়াই ( সশস্ত্র জিহাদ ) করতে থাক শয়তানের 
পক্ষালম্বনকারীদের বিরুদ্ধে – ( দেখবে ) শয়তানের চক্রান্ত একান্তই দুর্বল” ( সুরা নিসা- ৭৬)।

বিশ্ব মুসলিমের প্রতি আহ্বান !

আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন সারা বিশ্বের মুসলিমরা আজ কিরকম মুহূর্ত অতিক্রম করছে। একদিকে তারা কুরআন ও সুন্নাহকে ছেড়ে
 দিয়ে কবর-মাজার, পীর-ফকির সহ নানারকম শিরক-বিদয়াত, তন্ত্র-মন্ত্রে জড়িয়ে পড়ে ইসলাম বিরোধী কাজে জড়িয়ে পড়েছে। অপরদিকে 
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী আমেরিকা-ইসরাইল চক্র সন্ত্রাসের মাধ্যমে নিরীহ মুসলিমদের উপর আক্রমণ চালাচ্ছে। এই সন্ত্রাস গোষ্ঠী
 মুসলিম দেশগুলো সহ সারা বিশ্বে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। এই সন্ত্রাসীরা মুসলিমদের উপর অত্যাচারের সীমা ছাড়িয়ে গেছে, মানহানি, হত্যা, 
ধর্ষনসহ আর কী বাকী রেখেছে এই কাফের গোষ্ঠী! এই জাহান্নামী গোষ্ঠী জোর করে সকল মুসলিম দেশে সুদ, ব্যভিচার,মূর্তিসহ কুফরি 
সংবিধান চাপিয়ে দিয়ে মুসলিমদের ঈমানহারা করার চক্রান্ত মেতে উঠেছে। কিন্তু আল্লাহর সৈনিকরা বিশ্ব সন্ত্রাসীদের এরকম অভিলাষ পূর্ণ হতে
 দিবে না,এবং গণতন্ত্রের কুফুরি মতবাদও প্রতিষ্ঠা হতে দিবে না। গণতন্ত্র হচ্ছে তাগুতের উদ্ভাবিত পদ্ধতি। পৃথিবীতে তাগুতী শক্তি প্রতিষ্ঠা করার
 জন্য এটা(গণতন্ত্রে) তাদের প্রধান অস্ত্র। তাগুতী বিধান আল্লাহর পথের মুজহিদদেরকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেয়। মুসলিম ভূখণ্ড রক্ষার জন্য, 
কুফফারদের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য এবং আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার জন্য যারা অস্ত্র ধরে তাদেরকে বলে জঙ্গী , সন্ত্রাসী। অথচ আল্লাহ
 তা’আলা বলেন, “হে ঈমানদারগণ! নিজেদের অস্ত্র তুলে নাও এবং পৃথক পৃথক সৈন্যদলে কিংবা সমবেতভাবে বেরিয়ে পড়” 
(সুরা নিসা-৭১ ); অন্যত্র বলেন,“আর তোমাদের কি হল যে, তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের
 পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর 
তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও” 
 ( সুরা নিসা- ৭৫)।
নিজেরা তাওহীদ ভিত্তিক ঈমান অর্জন করুন এবং মুজাহিদদের সহায়তা করুন। ইনশা-আল্লাহ ইসলামের বিজয় আসবেই। আল্লাহ তায়ালা 
প্রকৃত মুসলিমদের সান্ত্বনা প্রসঙ্গে বলেন, “আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে, তোমরাই জয়ী 
হবে” (সুরা আলে ইমরান-১৩৯); অন্যত্র বলেন, “তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা
 দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন”(সুরা নুর-৫৫)।
অতএব বিশ্ব মুসলিমদের প্রতি আহ্বান, আপনারা প্রতিটি মুসলিম দেশে আল্লাহর আইন বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে নসিহত প্রয়োজনে বাধ্য
 করুন। সকল মুসলিম দেশ হতে সশস্ত্র জিহাদের মাধ্যমে তাগুতী শাসকদের উৎখাত করে ইসলামী সরকার প্রতিষ্ঠা করুন। কুফুরি জাতিসংঘ 
 পরিত্যাগ করুন। সকলে মিলে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করুন; এটা যে আমাদের দায়িত্ব!

কাফের-মুশরিকদের প্রতি হুশিয়ারী!

আমেরিকা-ইসরাইল চক্রসহ সমস্ত জালেম শাসকদের হুশিয়ার করা হচ্ছে যে, তোমরা মুসলিম দেশের দখলদারীত্ব ছেড়ে দাও। মুসলিম দেশে
 আর মোড়লীপনা করার চেষ্টা করো না। সারা বিশ্বে মুসলিমরা জেগে উঠছে। এখনো যদি মুসলমানদের উপর নির্যাতন বন্ধ না কর, তাহলে
 তোমাদের পৃথিবীর কোথাও নিরাপদে থাকতে দেয়া হবে না। ইসলামদ্রোহীদেরকে সতর্ক করা যাচ্ছে যে , তোমরা মুসলিম দেশে ইসলাম 
বিধ্বংসী কার্যক্রম বন্ধ কর। তা না হলে তোমাদেরকে সমূলে উৎপাটন করা হবে ইনশা-আল্লাহ।
ওয়া সাল্লাল্লাহু তা’আলা ‘আলা খাইরি খালকিহী মুহাম্মাদিও ওয়া’আলা আলিহী ওয়া আসহাবিহী আজমাঈন।

আহবানেঃ আল্লাহর কতিপয় বান্দা।

 

68 thoughts on “আমাদের আহবান

  1. আস সালামু আলাইকুম …..
    আশা করি ভাল আছেন, আপনার ব্লগসাইটটি মাশাআল্লাহ সুন্দর হয়েছে । তবে একটি বিষয় আপনাকে না বলে পারছি না । আর তা হল আপনার ব্যানারে বাংলায় যে নামটি দিয়েছেন তা যদিও একটি সুন্দর নাম কিন্তু ‌”ঘুরাবা” শব্দটি বানানগত ভূল । আমার জানা মতে বাংলায় এর শুদ্ধ বানান হচ্ছে ”গোরাবা” অথবা ”গুরাবা” তারপরেও আপনি শব্দটি যাচাই করে দেখবেন আশা করি।

    জাযাকুমুল্লাহ খায়রান । …..

    • Brother i am a muslim i am really interested to join with u people to want a pure Death in the routh of Allah by performing Jihad! i read lots of Books from u pplz websites and i have a huge collection of Islamic Books. in our area a Well known Imam gives lecture about Jihad from Markaz in Every friday. from there i became encouage to go for Jihad but as i have no route i am just studying and praying to Allah for Shahadat. Brother i also have a fb page where i post many acticles, ayat, hadith n videos from U peoples websites plz help me to die and save our sister Afia n Fatima.
      here is my Fb page: https://www.facebook.com/pages/Allah-The-Almighty-%D8%A7%D9%84%D9%84%D9%87-%D8%A3%D9%83%D8%A8%D8%B1/302449183114155?ref=ts

      • Alhamdulillah brother for Sharing my page, now brother i wants to do more n more For Islam, but the Tagud defence may attacks me for sharing Jihad’s ayat n continusely visiting Mujaheedin’s sites, so what Hikmah can i take to be save from them as i have no idea about these all. Brother plz give me a good guideline and advice for being a perfect Muslim and proud Mujaheed. u know Brother i had a islamic type page but the kafeer hacked the page and spreading slangs and misguiding ppl about our prophet Muhammad Character and the Existence Almighty Allah. link:https://www.facebook.com/jkmnk . u just plz check it out these as a as a Muslim its our resposibility to save Islam. and plz do something Actually i am totally alone and helpless becaz i dont know much about hackings thatz y i wants my Brothers Help.
        PLZ Brother help me for being a perfect Mulim And soldier of Allah. i want guidelines and suggestions to run my page, to gain more Islamic knowlegde, I aslo wants advice from u that what training can i take to to perform armed Jihad and to help my Mujahed Brothers to destroy the kufars. If u can brother can u help me to find out the book Step by Step to Jihad i heard about the book in internet. i think it will help me for being a Mujaheedin!!!

  2. আসসালামু আলাইকুম। বর্তমানে আমাদের দেশের অনেক মুসলিম ভাই আল্লাহ’র পথে জিহাদ করে শহীদ হবার জন্য পথ ও পাথেয় এর সন্ধান করছেন। সেই সব ভাইদের কাজে সাহায্য করতে পারে এমন এ্কটি বই আল কায়দা ইন্টারনেট এ ছেড়েছে। বই টি ইংরেজী ভাষায়। এর লিঙ্ক – http://www.archive.org/download/dae.al-jabha/The_Explosives_Course__3.pdf

    এই বই এর সাহায্যে ঘরে ল্যা্বরটরি বানিয়ে শক্তিশালী বোমা তৈরী করা যাবে ইশাআল্লাহ!।
    যারা বাংলাদেশ এর তাগুত দের কে ধংস করে আল্লাহ’র পথে শহীদ এর মর্যাদা লাভ করতে চান তাদের জন্য এই বই। জাযাকাল্লাহু খায়ের।

    fb.com/abdurrahmanbd

  3. ASSALAMU ALIKUM.VAI AMRA 26 JULY MINBAR AT TAWHEED A SUNSILAM SHEIKH AYMEN AL ZAWAHIRI (HM) BOLSEN 500 AL QAEDA BROTHERS WAITING BANGLADESH BORDER TO ENTER MYANMER.AMRA KISU BANGLADESHI ABONG KISU INDIAN VAI O SIGROI JIHADER JONNO ARKAN JETE CHAI.AMADER HELP KORBEN.ALLAHU AKBAR

  4. Axlam Ryasat, Brother it is for you,

    Assalamialikum, Thanks Brother i am so interested of your deasar, you are a new,so you have to know about Islam day by day. No anxious, no quicly after atomaticly you will know about write islami. I again say you don’t quicly anything by emmosinaly. You want to healp form Allah in Doah. Insa-Allah.

  5. আসলা্মু আলাইকুম,আপনাদের ওয়েবসাইটের নাম গুরাবাদের সঙ্গি হোন”আমি গুরাবাদের সঙ্গি হতে চাই।কি ভাবে হতে হবে দয়া করে জানাবেন।

  6. প্রশ্নঃ১ – আমাদের এলাকায় জামাতে ইসলামী বাংলাদেশের কিছু ভাই আছেন। তারা মনে করেন তারাও ইসলামী রাস্ট্র্ প্রতিষ্টার চেষ্টা করছেন। কিন্তু যতদূর আমি জানি তারা সঠিকপথে কাজ করছেন না। তাদেরকে আমি কি বলে দাওয়াহ দিবো?
    Quote
    Posted on November 11, 2012

    উত্তরঃ

    ওয়ালাইকুম আস্‌সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহু।

    ইন্নাল হামদা লিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসুলিল্লাহ।

    এই সাইটের ব্যাপারে ভালো মন্তব্য করার জন্য আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যার নিয়ামতে সমস্ত ভাল কাজ সংঘটিত হয়ে থাকে। দোয়া করবেন যেন আল্লাহর দিকে আহবানের ক্ষেত্রে এই সাইট যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারে।

    জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ব্যাপারে কিছু বলার আগে আমরা একটি কথা পরিষ্কার করে নিতে চাই। তা হলোঃ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মতের ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভংগী।

    প্রথমতঃ মানবরচিত বিভিন্ন মতবাদের ধ্বজাধারী দলসমূহ যেমনঃ আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি ইত্যাদি যারা আল-কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধী আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করছে এবং এটাই তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এরা নিকৃষ্ট শিরক ও কুফরে লিপ্ত। এরা কুফরের দল। এদের নেতৃবৃন্দ হচ্ছে তাগুত।

    দ্বিতীয়তঃ ইসলামী রাজনৈতিক দলসমূহ যারা ইসলামী রাস্ট্র / খিলাফত প্রতিষ্টা করতে চায়। এইসব দলসমূহের মূল লক্ষ্য হলোঃ দ্বীন ইসলামকে বিজয়ী করা কিন্তু তারা কিছু কিছু ভুল-ভ্রান্তিতে লিপ্ত। এমনকি তাদের কোন কোন ভুল শিরক-কুফর পর্যন্ত পৌঁছেছে। আল্লাহ যেন তাদেরকে সঠিক পথের দিশা দেন।

    জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলের ব্যাপারে আমাদের কথা হলোঃ আমরা তাদের সম্বন্ধে এটা বলি না যে, তারা শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রাজনীতি করছেন কিংবা তারা দ্বীনকে শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার একটা উসিলা হিসেবে ব্যবহার করছেন। বরং আমরা মনে করি, তারা আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য, বাংলাদেশকে ইসলামী রাস্ট্রে পরিবর্তন করার নিয়্যতে কাজ করছেন। পাশাপাশি আমরা তাদের যেসব ভালো কাজ আছে সেগুলিও স্বীকার করি। যেমনঃ তাদের সহচর্যে থেকে অনেকে আল-কোরআন ও হাদিসের বাংলা অনুবাদ পড়ছেন। অনেকে নামাজ, রোযা করছেন ইত্যাদি।

    কিন্তু সত্যকে সত্য হিসেবে আর মিথ্যাকে মিথ্যা হিসেবে তুলে ধরতে আমরা বাধ্য, তা না হলে ইলম গোপন করার অপরাধে আমরা কিয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে অপরাধী হয়ে যাবো। এছাড়াও তাদের প্রতি সত্যিকার কল্যাণকামিতা হলো তারা যেসব ক্ষেত্রে আল-কোরআন ও সুন্নাহ পরিপন্থী আচরণ করছেন, সেসব ক্ষেত্রে তাদের ভুলগুলি ধরিয়ে দেয়া। আর এটাই আয়না হিসেবে এক মুসলমান আরেক মুসলমানের জন্য করার কথা। তাছাড়া যেসব কোরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী আচরণ তারা প্রকাশ্যে করছেন, সেসব আচরণ প্রকাশ্যে তাদেরকে ধরিয়ে দেয়াই ইসলামের দাবী। যেভাবে ভুল নামাজ আদায়কারীকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেনঃ

    ارجع فصل فإنك لم تصل

    “ফিরে যাও, তারপর (আবার) নামাজ পড়ো, কারণ তুমি নামাজ পড়ো নি”। (সুনান আবু দাউদ, শুয়াবুল ঈমান, মুসনাদে আহমাদ)

    এখানে নামাজের বিরোধিতা উদ্দেশ্য নয় বরং নামাজকে যাতে যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়, সেটাই ছিলো উদ্দেশ্য। অনুরুপভাবে, আমাদের উদ্দেশ্য দ্বীনকে বিজয়ী করার প্রচেষ্টার বিরোধিতা নয়, বরং যাতে সঠিক পথে দ্বীনকে বিজয়ী করার চেষ্টা করা হয়, সেই দিকে মনযোগ আকর্ষণ করা।

    আমরা আল্লাহকে এই ব্যাপারে সাক্ষী রেখে বলছি যে, তাদের ইসলাহ ও কল্যাণ ছাড়া আমরা আর কিছু চাই না, আমরা চাই তারা যেন পরিপূর্ণ কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে দ্বীনকে বিজয়ী করার কাজ করেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর পছন্দনীয় পথে এবং ইসলামী শারীয়াতের গন্ডির ভিতরে থেকে দ্বীন ইসলামকে বিজয়ী করার কাজ করার তৌফিক দান করুন।

    তাদের যে সব কাজ আমাদের কাছে আল-কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধী মনে হয়েছে, তার মাত্র তিনটি আমরা নীচে তুলে ধরছিঃ

    ক) প্রথমত: জামায়াত ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ পশ্চিমাদের থেকে ধার করা কুফরী গণতন্ত্রকে দ্বীন ক্বায়েমের পদ্ধতি হিসেবে বেছে নিয়েছেন। যে গনতন্ত্রের মাধ্যমে এম.পি বা সংসদ সদস্যদের আল-কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী আইন প্রণয়নের অধিকার দেয়া হয় যা সুষ্পষ্ট শিরক এবং কুফর। কারণ আল্লাহতায়ালাই একমাত্র আইন-বিধানদাতা। ভাল নিয়্যতে কোন কুফরী পথ অবলম্বন করলে তা জায়েয হয়ে যায় না বা এর গুনাহ থেকেও অব্যাহতি পাওয়া যায় না।

    তারা এদেশের কুফর-শিরকের মিলনস্থান জাতীয় সংসদের সদস্যপদ গ্রহণ করে আল-কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধী আইন প্রণয়নে শরীক থেকেছেন যা একটি বড় কুফরী যা একজনকে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। এই ‘শিরকের আখড়া’ – সংসদ ভবনে সদস্যপদ নেয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক কাজে বড় শিরক ও বড় কুফর রয়েছেঃ

    যেমনঃ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবার সময় এই দেশের কুফরী সংবিধানকে সম্মান ও মান্য করার শপথ নিতে হয়।

    THIRD SCHEDULE; [Article 148]; OATHS AND AFFIRMATIONS

    “I, ……………………….., having been elected a member of Parliament do solemnly swear (or affirm) that I will faithfully discharge the duties upon which I am about to enter according to law: That I will bear true faith and allegiance to Bangladesh: And that I will not allow my personal interest to influence the discharge of my duties as a member of Parliament.

    http://www.pmo.gov.bd/pmolib/constitution/schedule3.htm

    অর্থঃ “আমি, ………, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে শপথ করছি যে, আমার উপর আইনের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্বসমূহ বিশ্বস্থতার সাথে পালন করিবো, আমি বাংলাদেশের প্রতি সত্যিকার বিশ্বাস ও অনুগত্য পোষণ করিবো, আমি আমার ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য সংসদ সদস্য হিসেবে আমার উপর অর্পিত কর্তব্যকে প্রভাবিত করবো না”।

    এই শপথে দেখা যাচ্ছে যে, এদেশে প্রচলিত ব্রিটিশ-কুফরী আইন অনুযায়ী সকল দায়িত্ব পালন করার শপথ নেয়া হচ্ছে। আর সেই দায়িত্বের মধ্যে আছেঃ সংসদে বসে সবাই মিলে আইন রচনা করা। আর এই কুফরী সংবিধান অনুযায়ী সেটা যে কোন আইন হতে পারে, আল-কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধীও হতে পারে। বরং এই কুফরী সংবিধানের ৭(২) ধারায় বলা আছেঃ

    “জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।”

    অর্থাৎ এই সংবিধান অনুযায়ী আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দেয়া আইনও বাতিল হয়ে যাবে, যদি তা এই সংবিধান বিরোধী হয়। এর চেয়ে বড় কুফরী-শিরকী কথা আর কি হতে পারে!!! আর এটা সুস্পষ্ট যে, কেউ যদি কোন কুফরী আইনকে সম্মান করার ও মান্য করার শপথ নেয়, সেটাও একটা কুফরী কাজ।

    এছাড়াও এই কুফরী সংসদে যে সব আইন প্রণয়ণ হয়, সে সবে জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলের এমপিরা শরীক থাকেন না বরং বিরোধিতা করেন বলে দাবী করলেও বাস্তবে তারা একটি কুফর সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ “সংসদ” এর অংশ হয়ে পুরো সিস্টেমকে সমর্থন করছেন। কারণ একটি দেশের সরকারের মূলত তিনটি অংশঃ সংসদ (Legislative) , প্রশাসন (Executive) ও বিচার বিভাগ (Judiciary)। তারা এই সংসদের সদস্য হয়ে পূর্ব থেকে চলে আসা কুফরী-শিরকী আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে সাহায্য করছেন। এই সেই সংসদ যারা আগের সংসদ সমূহের মাধ্যমে চলে আসা শিরক ও কুফরের ধারাবাহিকতা রক্ষা করছে। আর এই সংসদের সদস্য হওয়া মানে আগের রচিত সমস্ত শিরক-কুফরী আইনের বোঝা নিজের কাঁধে নিয়ে নেয়া। কারণ যদি এই সংসদ না থাকে, তাহলে দেশে তাদের কথা অনুযায়ী ‘সাংবিধানিক শূন্যতা’ সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ তাদের এই শিরক-কুফরী আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষার করার জন্য এই সংসদও জরুরী। আর অন্যান্য কুফরী দলের সাথে যোগ দিয়ে সেই জরুরী কাজটাই আঞ্জাম দিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী দলের এমপিবৃন্দ। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়াত দান করুন।

    এছাড়াও তারা বিভিন্ন পার্লামেন্টারী কমিটির সদস্য হয়েছেন, যেগুলো পরিচালিত হয় সেই কুফরী ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী। একজন ঈমানদার, আখিরাতে বিশ্বাসী মুসলমান যা কখনো মেনে নিতে পারে না।

    খ) জামায়াত ইসলামী এর নেতৃবৃন্দ মুরতাদ সরকারের দুইটি মন্ত্রণালয় মানব-রচিত কুফরী আইন অনুযায়ী পরিচালনা করেছেন, যা একটি বড় কুফর – যা একজনকে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। আর এই ব্যাপারে আয়াত তারা নিজেরা তাদের কর্মী, সাথী, রোকনদেরকে মুখস্থ করিয়ে থাকেন। আল্লাহ বলেছেনঃ

    إِنَّا أَنزَلْنَا التَّوْرَاةَ فِيهَا هُدًى وَنُورٌ يَحْكُمُ بِهَا النَّبِيُّونَ الَّذِينَ أَسْلَمُواْ لِلَّذِينَ هَادُواْ وَالرَّبَّانِيُّونَ وَالأَحْبَارُ بِمَا اسْتُحْفِظُواْ مِن كِتَابِ اللّهِ وَكَانُواْ عَلَيْهِ شُهَدَاء فَلاَ تَخْشَوُاْ النَّاسَ وَاخْشَوْنِ وَلاَ تَشْتَرُواْ بِآيَاتِي ثَمَنًا قَلِيلاً وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللّهُ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ

    আমি তওরাত অবর্তীর্ন করেছি। এতে হেদায়াত ও আলো রয়েছে। আল্লাহর আজ্ঞাবহ পয়গম্বর, দরবেশ ও আলেমরা এর মাধ্যমে ইহুদীদেরকে ফয়সালা দিতেন। কেননা, তাদেরকে এ খোদায়ী গ্রন্থের দেখাশোনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল এবং তাঁরা এর রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত ছিলেন। অতএব, তোমরা মানুষকে ভয় করো না এবং আমাকে ভয় কর এবং আমার আয়াত সমূহের বিনিময়ে স্বল্পমূল্যে গ্রহণ করো না, যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই কাফের। (সূরা আল মায়েদা, আয়াতঃ ৪৪)

    আর জামায়াতে ইসলামীর এই নেতৃবৃন্দ সমাজ-কল্যাণ মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় কিংবা কৃষি মন্ত্রণালয় তো ইসলামী শরীয়াহ আইন অনুযায়ী পরিচালনা করেন নি। বরং তারা তা পরিচালনা করেছেন মানব-রচিত কুফরী-ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী।

    শিল্প মন্ত্রনণালয়ের অধীন শিল্প ব্যাংক তখনো সুদের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছে, অর্থাৎ এই মন্ত্রী আল্লাহর সাথে যুদ্ধে এই মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

    সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হয়েছে কুফরী আইনে, সেখানে বিভিন্ন এনজিওকে শিরক-কুফর-ফাহেশা ছড়িয়ে দেয়ার অবকাশ দেয়া হয়েছে, লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। সেখানে শত শত এনজিওকে সুদ ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি সহ লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। আর এসব হয়েছে সমাজ-কল্যাণ মন্ত্রীর দায়িত্বে, তার নিয়ন্ত্রণে।

    এসবই পরিস্কার কুফর। কারণ এটাই হচ্ছে আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তা ছাড়া অন্য কোন বিরোধী আইনে বিচার-ফায়সালার বাস্তব দৃষ্টান্ত। হাফিজ ইবনে কাসীর (রঃ) তাঁর তাফসীরে সূরা আল মায়িদাহ এর ৫০ নম্বর আয়াতের তাফসীতে বলেছেনঃ

    “আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সেই সব লোকদের ইনকার করেছেন যারা সেই শরীআহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়; যা মানুষের জন্য উপকারী; যা মন্দকে নিষেধ করে। আল্লাহ সেই সব লোকদের প্রত্যাখ্যান করেছেন যারা নিজের প্রবৃত্তির অনুসরন করে যারা কুফরের আইনকে গ্রহণ করে যেমন তাতারদের আইন যা তাদের রাজা চেংগিস খানের অধীনে বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ঐসব আইনগুলো ছিল ইহুদী, খ্রীষ্টান এবং তাদের প্রবৃত্তির অনুযায়ী রাজাদের তৈরি করা আইনের মিশ্রন। আমরা কি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আইনের পরিবর্তে ঐসব আইনগুলোকে প্রাধান্য দিব? যে এই কাজটি করে সে কাফের এবং তাকে হত্যা করা ওয়াজিব!” – তাফসীর ইবনে কাসীর।

    আল্লাহ জামায়তে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দল যারা সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, তাদেরকে যেন হেদায়েত দান করেন।

    গ) জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলের অগণিত কর্মী বিগত নির্বাচনসমূহে জোটবদ্ধ নির্বাচনের দোহাই দিয়ে অধিকাংশ আসনে বিএনপির জন্য মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ভোট প্রার্থনা করেছেন, যা একটি বড় কুফরী যা একজনকে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

    এটা জানা কথা যে বিএনপি / আওয়ামীলীগের আদর্শ হচ্ছে কুফরী আদর্শ – যা আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সাঃ) এর বিরোধিতার উপর দাঁড়িয়ে আছে। যেমনঃ বিএনপি এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে তাদের দলীয় সংবিধানে বলা আছেঃ

    “(c) To acquire pro-people economic development and national progress based on social justice through politics of production, free market economy and people’s democracy.”

    অর্থঃ “সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উৎপাদনের রাজনীতি, মুক্ত বাজার অর্থনীতি ও জন-গণতন্ত্রের মাধ্যমে জন সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক উন্নতি ও জাতীয় অগ্রগতি অর্জন”।

    সুত্রঃ bangladeshnationalistparty-bnp.org

    অর্থাৎ, তারা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও জাতীয় উন্নতি সাধন করতে চায় “মুক্ত বাজার অর্থনীতি ও জন-গণতন্ত্রের”মাধ্যমে, ইসলামী অর্থনীতি কিংবা ইসলামী শরীয়াহ এর প্রয়োগের মাধ্যমে নয়। আর এটা হচ্ছে সুষ্পষ্ট কুফরী একটি আদর্শ। এখন কেউ যদি সেই বিএনপিকে ভোট প্রদান করার জন্য আহবান করে, সে পরিণামে কুফরের দিকে আহবান করে।

    যদিও জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা মুখে মুখে ‘ইসলামী গণতন্ত্র’ নামক এক আজব বস্তুর কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে পশ্চিমা আবিষ্কৃত কুফর-শিরক মিশ্রিত গণতন্ত্রের মাধ্যমে দ্বীনকে বিজয়ী করার দিবা-স্বপ্ন দেখছেন এবং বিএনপি এর জন্য বাংলাদেশের অধিকাংশ আসনে ভোট চেয়েছেন। এটাই কি তাদের তথাকথিত ‘ইসলামী গণতন্ত্র’? এটাই কি তাদের তথাকথিত ‘হালাল গণতন্ত্র’? এসবের পরও কিভাবে বিবেক সম্পন্ন একজন মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে সাফাই গাইতে পারেন?

    আর এটা জানা কথা যে, নিয়্যত ভালো থাকলেও ইসলামে কোন হারাম কাজ করার অনুমতি নাই। যেমনঃ কেউ চুরি করে সেই টাকা গরীব ও অভাবীদেরকে দান করতে চাইলে সে গুনাহগার হবে। আর কুফরী আইন অনুযায়ী মন্ত্রনালয় পরিচালনা কিংবা কুফরী কোন দলের জন্য মানুষের কাছে ভোট চাওয়াতো বলাই বাহুল্য। এসব কাজ কখনো অযুহাত হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

    আবার এসব কাজকে ‘হিকমাহ’ বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা আরো জঘন্য। কারণ সকল নবী-রাসুল (আঃ) হিকমাহ অবলম্বন করেছেন। আর তাফসীর গ্রথসমূহে ‘হিকমাহ’ শব্দের অর্থ করা হয়েছে ‘সুন্নাহ’। জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলের এসব আল-কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধী কাজ তথা শিরক-কুফরকে ‘হিকমাহ’ বলার অর্থ হচ্ছে সকল নবী-রাসুল (আঃ) বিভিন্ন সময় শিরক-কুফরীতে লিপ্ত হয়েছেন। নাউজুবিল্লাহ।

    তবে একটি কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করছি। তাদের মাঝে এসব শিরক-কুফর থাকলেও আমরা তাদের অজ্ঞতা ও তাওয়ীলের (ভুল ব্যাখ্যা) কারণে তাদের প্রত্যেককে ব্যক্তিগতভাবে কাফির মনে করিনা। আমাদের উপরুক্ত আলোচনার মানে এটা নয় যে, পুরো জামায়াতে ইসলামীকে আমরা তাকফির করছি।

    আপাতত জামায়াতে ইসলামীর এই ভুলগুলি তুলে ধরলে আশা করি আপনার এলাকায় উল্লেখিত ভাইরা সত্য বুঝতে পারবেন। এই ভাইদেরকে এটা বুঝানো দরকার যে, আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র ব্যতীত কোন কিছু কবুল করেন না। আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার প্রচেষ্টা একটা ভালো কাজ, বরং তা ফরজ। যেহেতু এটা একটা ইবাদত, তাই সেই ইবাদাতের পদ্ধতি স্বয়ং আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। এই দ্বীন প্রতিষ্টার নির্দেশ দানকারী এর পদ্ধতির ভিখারী নন, যে তিনি আব্রাহাম লিংকন কিংবা কোন কাফিরের কাছে এর পদ্ধতি ভিক্ষা চাইবেন।

    কিন্তু এই দ্বীনকে বিজয়ী করতে গিয়ে কোন হারাম কিংবা শিরক-কুফরে জড়িত হবার কোন অবকাশ নেই। যে এরকম করবে সে শুধু পরিণামে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। আর আল্লাহ শুধু ঈমানদারদের জন্য বিজয়ের ওয়াদা করেছেন যারা আমলে সালেহ করবে।

    وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُم فِي الْأَرْضِ

    তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। (সূরা নূর, আয়াতঃ ৫৫)

    কিন্তু যারা শিরক-কুফরীতে লিপ্ত হবে, তারা তো আমলে সালেহ করছে না বরং তারা আজাবের সম্মুখীন হবে। তাই আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার চেষ্টা করতে হবে জিহাদ ও ক্বিতালের মাধ্যমে যা আমরা সংক্ষেপে ‘আমাদের দাওয়াহ’ পাতায় উল্লেখ করেছি। সেখানে আমরা দেখিয়েছি যে, এ ব্যাপারে আলেমদের ইজমা আছে যে, কোন এলাকার শাসকের মাঝে প্রকাশ্য কুফরী দেখা দিলে তাকে অপসারণ করা ফরজ। আর যদি অপসারণ করার সামর্থ না থাকে, তবে সেই সামর্থ অর্জন করা ফরজ। আর সেটা সম্ভব না হলে হিজরত করে সেই এলাকা ত্যাগ করা ফরজ।

    আল্লাহ আমাদেরকে সবাইকে সত্য উপলব্ধি করার তৌফিক দান করুন। ওমা আলাইনা ইল্লাল বালাগ। সত্য পৌঁছে দেয়া ছাড়া আমাদের কোন দায়িত্ব নেই।

    ————————–

    উত্তর প্রদানেঃ

    – শাইখুল হাদিস আবু ইমরান।

    – মুফতী আইনান।

    – মাওলানা আবু আনিকা।

  7. বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি চলছে, যারা শাহবাগে জমায়েতের ডাক দিয়েছে তাদেরই অন্যতম একজন রাসূল (সা) সম্পর্কে চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ কথা ফেসবুকে লিখে প্রচার করছে। এইসব নাস্তিক-মুরতাদদের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান কি?

  8. ১। হে ছাত্র শিবিরের ভাইরা আল্লামা সাইদীকে মুক্ত করো (ভিডিও)

    ২। ইসলামী ছাত্র শিবিরের শহীদ ভাইদের জন্য দুয়া

    হে আল্লাহ, হে বিশ্ব জাহানের রব, সকল প্রশংসাই তোমার। তুমি আমাদের সৃষ্টি করেছ, তুমিই আমাদের রিযিক দাও, আমাদের প্রতিপালন কর। তুমিই আমাদের জীবন দাও এবং তুমিই সে জীবন কেড়ে নাও। কে আছে ক্ষমতাবান তোমার উপরে!

    কিন্তু আজ আমাদের চারপাশে লাশ আর লাশ। গতকালও যে ভাইকে একান্ত আপন করে পেয়েছি আজ দেখি সেই ভাই গুলিবিদ্ধ। গতকালও যে ভাই আমাকে সকালের নাস্তা করিয়েছে আজ সে ভাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছে ওপারে। হে আল্লাহ। তুমি তাকে জান্নাতের খাবার দ্বারা নাস্তা করাও।

    হে আল্লাহ, এই দেশের দিকে তুমি তাকাও। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের এই দেশে আজ মুসলিমরাই নির্যাতিত-নিষ্পেষিত। আর যারা তোমার রাসুলকে (সাঃ) হেয় প্রতিপন্ন করে, তোমাকে গালিগালাজ করে তাদের মৃত্যুতে বলা হয় শহিদ।

    সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের সেই প্রিয় নবীর উপর যাকে তুমি পাঠিয়েছিলে সর্বযুগের জন্য সকল সমস্যার সমাধান দিয়ে। তাঁর মাধ্যমেই আমাদের দিয়েছিলে হিদায়াত, বলেছিলে তিনিই আমাদের উত্তম আদর্শ। আমরা যেন তারই আনুগত্য করি, তারই দেখানো পথে চলি। তাহলেই আমরা সফলকাম হব।

    হে প্রভু, আমরা কি তাঁর পথে চলছি না? তাঁর সাহাবীরা যদি ত্রিশ বছরে অর্ধ পৃথিবীতে দ্বীন কায়েম করতে পারেন, তবে আমরা কেন পারছি না?

    হে আল্লাহ, তুমি বলেছ, যারা মুমিন তাদেরকে দেখলে মুশরিক-কাফেরদের অন্তর কাঁপে, তারা তো কাপুরুষ, মুমিনদের দেখলে ভয়ে লেজ গুটিয়ে যায়।

    হে আল্লাহ তুমি বলেছ, শয়তানের চক্রান্ত অত্যন্ত দুর্বল।

    কিন্তু আমাদেরকে দেখলে তো তাদের অন্তর কাঁপে না। তারা লেজও গুটায় না, বরং আমাদের অস্ত্র নিয়ে তাড়া করে পাখির মত গুলি করে মারে।

    হে আল্লাহ, তুমি যাকে আমাদের জন্য করেছ উত্তম আদর্শ তাঁকে বা তাঁর সাহাবীদেরকে কুফফররা অস্ত্র নিয়ে তাড়া করলে তাঁরা কি করতেন?

    তাঁরাও কি আমাদের মত ইটপাটকেল ছুঁড়তেন নাকি উল্টো অস্ত্র নিয়ে তাঁড়া করতেন?

    হে আল্লাহ, তুমিইতো বলেছঃ

    أُذِنَ لِلَّذِينَ يُقَاتَلُونَ بِأَنَّهُمْ ظُلِمُوا وَإِنَّ اللَّهَ عَلَى نَصْرِهِمْ لَقَدِيرٌ

    যুদ্ধে অনুমতি দেয়া হল তাদেরকে যাদের সাথে কাফেররা যুদ্ধ করে; কারণ তাদের প্রতি অত্যাচার করা হয়েছে। আল্লাহ তাদেরকে সাহায্য করতে অবশ্যই সক্ষম। (সূরা হজ্জ্ব, আয়াতঃ ৩৯)

    তাহলে আমরা কেন যুদ্ধে নামছি না? শুধু পশ্চিমাদের মত বিক্ষোভ কেন করছি আমরা?

    হে আল্লাহ তুমিইতো বলেছঃ

    وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ وَمِنْ رِبَاطِ الْخَيْلِ

    “আর তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য সামর্থ অনুযায়ী সংগ্রহ করো শক্তি-সামর্থ্য ও পালিত ঘোড়া …” (সূরা আল আনফাল, আয়াতঃ ৬০)

    তাহলে আমরা কেন ইট-পাটকেল যোগাড় করছি?

    ইট-পাটকেল দিয়ে কি লড়াই হয়?

    আমাদের এখন অস্ত্র চাই। অস্ত্র।

    যুদ্ধে যাবার এখনিতো সময়। এখনি সময় আল্লাহর সাথে বানিজ্য সম্পাদন করার, জান আর মালের বিনিময়ে জান্নাত লাভ করার।

    তবে আমরা আমাদের জীবন কাপুরুষের মতো বিলিয়ে দিতে পারি না। আমরা বীরের মতো লড়াই করে সম্মুখ সমরে শহীদ হতে চাই।

    হে আল্লাহ তুমি বলেছঃ
    وَدَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ تَغْفُلُونَ عَنْ أَسْلِحَتِكُمْ وَأَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيلُونَ عَلَيْكُمْ مَيْلَةً وَاحِدَةً

    কাফেররা চায় যে, তোমরা তোমাদের অস্ত্রে ও সরঞ্জামের ব্যাপারে অসতর্ক থাকো, যাতে তারা একযোগে তোমাদেরকে আক্রমণ করতে পারে। (সূরা নিসা, আয়াতঃ ১০২)

    আমরা আর অসতর্ক থাকব না।

    হে আমাদের নেতৃবৃন্দ, আমরা অস্ত্র চাই, আমরা সরঞ্জাম চাই।

    এখন আমরাই তাদেরকে একযোগে এমনভাবে আক্রমণ করতে চাই।

    আমরা আর হরতাল দিয়ে সাধারন জনগণের ক্ষতির কারণ হতে চাই না।

    আমরা মনে করি হাসিনার জালেম এই সরকার দ্বীন ইসলাম থেকে বহির্ভুত হয়ে কাফির-মুরতাদ হয়ে গেছে।

    সুতরাং তাদের সাথে আমাদের যুদ্ধ। এ যুদ্ধ আল্লাহর কালিমাকে বুলন্দ করার, এ যুদ্ধ আল্লাহর দ্বীনকে কায়েম করার।

    হে আল্লাহ, তুমি আমাদের সাথে থাক, তুমিই আমাদের একমাত্র সহায়।

    হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করো।

    নিশ্চয়ই, আমাদের ভাইদের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না।

  9. Vaiaআসসালামু ‘ আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লা হি ওয়া বারাকাতুহ
    Ami kivabe apnader [mujahideen-der] dole jok dite parbo
    Fb id – fb.com/zarifikram

  10. আফগান জিহাদের সূচনা ও তার প্রেক্ষাপট, গেরিলা যুদ্বের বিস্ময়কর কাহিনী, নিজ চোখে দেখা ঘটনাবলীর বিবরণ,পৃথিবীর অন্যতম পরাশক্তির বিরূদ্ধ মুষ্ঠিমেয় নিঃসম্বল মুজাহিদের বিজয়লাভের ঈমানদীপ্ত দাস্তান। জিহাদ সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসের শিক্ষা,জিহাদের ময়দানে তার অলৌকিক প্রতিক্রিয়া ও বর্তমান বিশ্বের উপর তার বিরল বিস্ময়কর ও সূদুরপ্রসারী প্রভাব সম্পর্কে জানতে হলে পড়ুন মুফতি রফি উসমানি(দাঃবাঃ) এর আল্লাহর পথের মুজাহিদ।

    ডাউনলোড লিঙ্ক http://www.mediafire.com/view/?dmxc8sop46jmnx6

  11. আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ্‌।
    সাইয়েদ কুতুব শহীদ (রাহ:)। বর্তমান যুগে ইসলামি জাগরণের সূচনা হয়েছে তার পেছনে অন্যতম অবদান এই মহান ব্যক্তির। তাঁর “ফাসির মঞ্চ থেকে বলছি” বইটি যারা ইসলামী আন্দোলনের করেন বা ইসলামের বিজয়কে জীবনের মাকসাদ করেছেন তাদের জন্য রয়েছে অমূল্য দিকনির্দেশনা। উল্লেখ্য আমার নিজস্ব কোন সাইট না থাকায়, বইটি আপনাদের ওয়েবসাইট এ যোগ করার এবং সবার সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।জাযাকাল্লাহ।
    ডাউনলোড লিঙ্ক http://www.mediafire.com/?our54k68fj6gzby

    সামনে আর্ও কিছু বই আসবে ইনশাআল্লাহ।
    যে বইগুলো স্ক্যান চলছে-
    ১.আযাদী ও লড়াই-মওলানা মাসউদ আযহার(দাঃবাঃ)
    ২.জানবাজ মুজাহিদ-মুফতি রফি উসমানি(দাঃবাঃ)।
    ৩.মরনজয়ী মুজাহিদ-মল্লিক আহমেদ সর্ওয়ার।

  12. আলহামদুলিল্লাহ, মুহাম্মদ ওমর ফারুকের দুইটি বই আপলোড করা হল।
    ১.কুরআন ও হাদীসের আলোকে সামুদ্রিক অভিযান।
    http://www.mediafire.com/view/?l8t8dzciitpv84q
    ২.মুজাহিদ ও শহীদদের বিস্ময়কর ঘটনাবলী।
    http://www.mediafire.com/view/?65xn87y96refoc6

  13. আফগান জিহাদের অজানা কাহিনী-২।
    জিহাদের সূচনা ও তার প্রেক্ষাপট, গেরিলা যুদ্বের বিস্ময়কর কাহিনী, নিজ চোখে দেখা ঘটনাবলীর বিবরণ,পৃথিবীর অন্যতম পরাশক্তির বিরূদ্ধ মুষ্ঠিমেয় নিঃসম্বল মুজাহিদের বিজয়লাভের ঈমানদীপ্ত দাস্তান। জিহাদ সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসের শিক্ষা,জিহাদের ময়দানে তার অলৌকিক প্রতিক্রিয়া ও বর্তমান বিশ্বের উপর তার বিরল বিস্ময়কর ও সূদুরপ্রসারী প্রভাব সম্পর্কে জানতে হলে পড়ুন মুফতি রফি উসমানি(দাঃবাঃ) এর জানবাজ মুজাহিদ।

    ডাউনলোড লিঙ্ক http://www.mediafire.com/?22uri85mn6chvjh

  14. আলহামদুলিল্লাহ! আপনাদের আহবান আমার খুবই ভাল লাগল ॥আমি আল্লাহর যমীনের সবচেয়ে গুনাহ গার বান্দা ।পরকালীন জীবন নিয়ে আমি খুবই শংকিত ।তবে আমি জানি একমাত্র শহীদদের সকল গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করবেন ।তাই পরকালীন মুক্তির আশায় আমি নিজের জীবনটাকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিয়ে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় একজন শহীদের কাতারে নিজের নাম লেখাতে চাই ।আপনারা কি আমাকে এই ব্যপারে সাহায্য করতে পারবেন? পারলে দয়াকরে আমার ইমেইলে বিস্তারিত জানান ॥আল্লাহ আপনাদের মংগল করুনঃ আমীন

    • আল্লাহ আমাদের গুনাহগুলোকে মাফ করুন আর আমাদেরকে শাহাদাতের মৃত্যু দান করুন। আমীন।।
      ভাই, আপনি নিজেকে সাধ্যমত জিহাদের জন্য প্রস্তুত করুন ইনশা-আল্লাহ আমাদের দেশেই তাড়াতাড়ি জিহাদের সুযোগ আসবে।

      জাঝাকাল্লাহ।

  15. আমেরিকা বনাম আফগানিস্থান যুদ্ধে কিল্লা-ই জঙ্গীতে অবরুদ্ধ তালেবান মুজাহিদীনদের সাথে উত্তরাঞ্চলীয় জোটের গাদ্দারী ও আফগান ভূমিতে মার্কিন অত্যাচারের কলজেছেঁড়া কাহিনী জানতে হলে পড়ুন ”হায় মানবতা! হায় বিশ্ববিবেক!!”
    ডাউনলোড লিঙ্ক- http://www.mediafire.com/view/?l8jvco7fioe805k

  16. আমি কেন,কখন, কিভাবে ভারত গেলাম। সেখানে আমার মিশন কি ছিল। বাবরী মসজিদে কিভাবে উপস্থিত হলাম। কাশ্মীর কি উদ্দেশ্যে গেলাম। তদন্ত ও জিঙ্গাসাবাদের স্তর কিভাবে পার হলাম। প্রাথমিক তিনটি চর্টারিং সেন্টারে আমার উপর কি কি নির্যাতন হল। কারাগারের দিনগুলো কিভাবে কাটল ইত্যাদি সকল প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর জানতে হলে পড়ুন মওলানা মাসউদ আযহার (দাঃবাঃ) এর “কাশ্মীর রণাঙ্গণে“।
    ডউনলোড লিংক- http://www.mediafire.com/?tt1bd4xgehi994v

  17. অনেকের কাছ থেকে শোনা যাচ্ছে শাপলা চত্তরের অভিযানে নাকি অনেক বিএসএফ এর সংশ্লিষ্টা ছিল। তবে কতটুকু সত্য তা জানি না। আবার বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের খেলা যে এখনও চলছে ,একথা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তেমনি ভারতের গুপ্তচর সংস্থা ’র’ এর কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতে পড়ুন ‘র এর কাউরয়েরা’।
    ডাউনলোড লিংক- http://www.mediafire.com/view/?gxhf6ggybm69hdc

  18. আসসালামু আলাইকুম । ভাইয়া প্লীজ আমাকে সঙ্গি করে নিন । বহু দিন থেকে এমন একদল মর্দে মুজাহিদকেই খুজতেছি আমি । প্লিজ ভাইয়া প্লিজ । আমাকে মেইল করুন অথবা ফেসবুকে ইনবক্স করুন অথবা আপনাদের সাথে যোগাযোগের উপায় বলে দিন ।

  19. মুখের বড় বড় বুলি দিয়ে জিহাদ হয়না। ঘরের কোনে কলম খুচিয়ে, বা ইন্টারনেটে কি বোর্ডের কি চেপে জিহাদ হয়না। একবার রাস্তায় নেমে এসে দেখান, বুঝবো আপনারা জিহাদি।
    আপনারা তেমনই “জিহাদ জিহাদ জিহাদ চায়, জিহাদ যেখানে আমরা নাই”

    • নাজনীন আক্তার পান্না, আপনি কোন দিন জিহাদের কথা বলেছেন?
      আমার মনে হয় বলেননি, বরং জিহাদের অপব্যাখ্যা করেছেন। আমরা জিহাদের জন্য মানুষকে উজ্জিবিত করছি, জিহাদের সংশয়গুলো দুর করছি, জিহাদের আসল ব্যাখ্যা করছি। আর এটা আপনার গায়ে লাগে।

  20. একদা স্পেন আমাদেরই ছিল। সভ্য ইউরোপও ছিল আমাদেরই। খাক ও খুনের অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে আমরা তা জয় করেছিলাম। দীর্ঘ আটশত বছর পর রক্ত অশ্রু ও হাহাকারভরা এক দুর্দিনে মুসলমানেরা ইউরোপ ছাড়া হন। শাসকের অবহেলা দুর্নীতি আর বিলাসিতার সাথে এ পতনে জড়িয়ে ছিল সেতারের রাগিনী নুপুরের নিক্কন আর ছলনাময়ী রূপসী কন্যা। সে কাহিনীই জীবন্ত হয়ে উঠে এসেছে আলতামাসের কলমে——–
    ডাউনলোড লিংক—– http://tinyurl.com/latysng

  21. বিশ্বজুড়ে জালিমের অত্যাচার ও মুজাহিদদের প্রতিরোধের সংবাদ যাদেরকে অস্থির করে তোলে,”মরণজয়ী মুজাহিদ” বইটির কাহিনী তাদের অন্তরকে ছুয়ে যাবে। আল্লাহর যে একনিষ্ট বান্দা জিহাদের পথের পথিক হওয়ার বাসনা রাখেন মরণজয়ী মুজাহিদের কাহিনী আবেগাল্পুত করবে…………..

    ডাউনলোড লিংক– http://tinyurl.com/kht9lkc

  22. হিন্দু রাজা-মহারাজাদের আজন্ম স্বপ্ন রাম রাজত্বকে ভারত থেকে আরব পর্যন্ত বিস্তৃত করা। কেননা তাদের ভাষায় মুসলম্নরা কাবা ঘরের ৩৬০দেব-দেবীকে উৎখাত করে দেবালয় জবরদখল করেছে। কাবার একমাত্র অধিকার পৌত্তলিকদের। কাবা ঘর নাকি ভগবানের তৈরী প্রথম দেবালয়। কিন্তু সুলতান মাহমুদ গযনবী তাদের রাম রাজত্ব বিস্তারে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন । মাহমূদের পিতা সুবক্তগীন তাকে অসীয়ত করে গিয়েছিলেন, বেটা! ভারতের রাজাদের কখনও স্বস্তিতে থাকতে বিবে না। এরা গযনী ষালতানাতকে উৎখাত করে পৌত্তলিকতার তুফানে কাবাকেও ভাসাতে চাচ্ছে। মুহম্মদ বিন কাসিমের সময়ের মত ভারতীয় মুসলমানদেরকে হিন্দুরা জোর জবরদস্তি হিন্দু বানাচ্ছে। এদের ঈমান রক্ষার্থে তোমাকে পৌত্তলিকতার দুর্গ গুড়িয়ে দিতে হবে। “ভারত অভিযান” বিশু্দ্ধ ইতিহাসের আলোকে রচিত সেই উপখ্যান, যা আপনাকে নিয়ে যাবে হাজার বছর আগের উপমহাদেশে।

    ডাউনলোড লিংক- http://tinyurl.com/ktjr63o

  23. দুনিয়া থেকে ইসলামের নাম-চিহ্ন মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে খৃষ্টানরা।
    অর্থ-মদ আর রূপসী নারীর ফাঁদে ফেলে ঈমান ক্রয় করতে শুরু করে মুসলিম
    আমীর ও শাসকদের। একদল গাদ্দার তৈরী করে নিতে সক্ষম হয় তারা
    সুলতান আইউবীর হাই কমান্ড ও প্রশাসনের উচ্চতরে। সেই স্বজাতীয় গাদ্দার ও
    বিজাতীয় ক্রুসেডারদের মোকাবেলায় অরিরাম জিহাদ চালিয়ে যান ইতহাসশ্রেষ্ঠ বিজয়ী
    বীর মুজাহিদ সুলতান সালাউদ্দীন আইউবী। তাঁর সেই শ্বাসরুদ্ধকর অবিরাম জিহাদের
    নিখুঁত শব্দ চিত্রায়ন “ঈমানদীপ্ত দাস্তান”। আট খন্ডের বইটি শুরু করার পর শেষ
    না করে স্বস্তি নেই।

    ডাউনলোড লিংকঃ পার্ট১- http://tinyurl.com/lpzkgvt
    পার্ট২- http://tinyurl.com/ko7actq
    বাকী খন্ডগলো্ও ইনশাআল্লাহ তাড়াতাড়ি দেয়া হবে।

  24. Assalamualaikum. Alhamdulillah, Allah er kace lakh lakh sukria j kicu morde mujahid baiyer toiri bloger amar poricoy holo. Kintu ami ki babe apnader sathe sorasori add hote pari. Plz ama,k upay ta bolun. Islam somporke oggo ami islam somporke jante chai, balo hoq alamer sathe poricito hote chai. Ohe Guraba media plz suggest me. I’m alone. . .

  25. সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ এর জন্য যে আল্লাহর অশেষ রহমতে ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ সিরিজের প্রথম বইয়ের অনুবাদ “খোরাসান থেকে কালো পতাকা” প্রকাশিত হয়েছে। হলুদ মিডিয়া যা জানতে দিবে না তা জানতে পড়ুন এই বইগুলো।

    বইটি আপনারা এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। এছাড়া অনলাইনেও পড়ার ব্যাবস্থা ও আলাদা প্রবন্ধ হিসেবে পড়ার ব্যাবস্থাও আছে।

    http://blackflagseriesinbangla.wordpress.com/

    https://www.facebook.com/blackflagseriesinbangla

  26. JAGO MUSLIM
    Jago jago Muslim,
    Jago sasastro Jihade.
    Ase6e Jannater path,
    Pokas peye6e susanbader rath.
    Ase6e Karo Patakabahi Dal,
    Jago, oikyo hao ai patakar tal.
    Jago Muslim all,
    Emam Mehedi asar call.
    Jago Allahor pathe,
    Jago Toiheder sathe.
    Dharo Din Islam,
    Bhango sakol bedhan.
    Jago Muslim jago,
    Prethebir potiti derhe
    sanbidhan hisabe Al-Quran gorte jago.

  27. আসসালামু আলাইকুম দ্বিনি আন্দোলনের ভাই কেমন আছেন।আমি হাবিবুর রহমান।আমি আলকায়েদা,তালিবান কে ভালোবাসি।আমি মানুষিক ভাবে সিদ্বান্ত নিয়েছি তালিবান মুজাহিদেরর সাথে যোগ দিয়ে সশস্র জিহাদে সরিক হয়ে শহীদ হতে চাই।আমি যে কোন দেশে হিজরত করতে চাই যেমন আরাকান,কাস্মির,আফগানিস্তান,সিয়িয়া,চেচিন, যে কোন দেশে।কিন্তু এ বিসয়ে আমার অবিঙ্গতা নেই।আপনাদের সহযোগিতা একান্তআসসালামু আলাইকুম দ্বিনি আন্দোলনের ভাই কেমন আছেন।আমি হাবিবুর রহমান।আমি আলকায়েদা,তালিবান কে ভালোবাসি।আমি মানুষিক ভাবে সিদ্বান্ত নিয়েছি তালিবান মুজাহিদেরর সাথে যোগ দিয়ে সশস্র জিহাদে সরিক হয়ে শহীদ হতে চাই।আমি যে কোন দেশে হিজরত করতে চাই যেমন আরাকান,কাস্মির,আফগানিস্তান,সিয়িয়া,চেচিন, যে কোন দেশে।কিন্তু এ বিসয়ে আমার অবিঙ্গতা নেই।আপনাদের সহযোগিতা একান্তআসসালামু আলাইকুম দ্বিনি আন্দোলনের ভাই কেমন আছেন।আমি হাবিবুর রহমান।আমি আলকায়েদা,তালিবান কে ভালোবাসি।আমি মানুষিক ভাবে সিদ্বান্ত নিয়েছি তালিবান মুজাহিদেরর সাথে যোগ দিয়ে সশস্র জিহাদে সরিক হয়ে শহীদ হতে চাই।আমি যে কোন দেশে হিজরত করতে চাই যেমন আরাকান,কাস্মির,আফগানিস্তান,সিয়িয়া,চেচিন, যে কোন দেশে।কিন্তু এ বিসয়ে আমার অবিঙ্গতা নেই।আপনাদের সহযোগিতা একান্তআসসালামু আলাইকুম দ্বিনি আন্দোলনের ভাই কেমন আছেন।আমি হাবিবুর রহমান।আমি আলকায়েদা,তালিবান কে ভালোবাসি।আমি মানুষিক ভাবে সিদ্বান্ত নিয়েছি তালিবান মুজাহিদেরর সাথে যোগ দিয়ে সশস্র জিহাদে সরিক হয়ে শহীদ হতে চাই।আমি যে কোন দেশে হিজরত করতে চাই যেমন আরাকান,কাস্মির,আফগানিস্তান,সিয়িয়া,চেচিন, যে কোন দেশে।কিন্তু এ বিসয়ে আমার অবিঙ্গতা নেই।আপনাদের সহযোগিতা একান্তা কাম্য

  28. আমি মুজাহিদ হতে চায়। আমাদের একটি ইসলামিক পাঠাগার আছে যার নাম হিল ফুল ফুজুল।এই পাঠাগারের কিছু সংখক সদস মিলে একটি মুজাহিদ দলে যগ দিতে চায় আমাদের বলেন কি করব

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s